ফুটবল মানেই উত্তেজনার পারদ, আর বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব হলে তো কথাই নেই! আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার সেই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইটি আজও ফুটবলপ্র...
সালাহ বনাম আর্জেন্টিনা: বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি বিতর্কের নেপথ্যে আসল সত্য কী?
ফুটবল মানেই উত্তেজনার পারদ, আর বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব হলে তো কথাই নেই! আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার সেই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে। ৩-২ গোলের সেই মহাকাব্যিক জয়ের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে মিশরের সুপারস্টার মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া পেনাল্টি বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছিল। তবে উত্তপ্ত সেই মুহূর্তটির গভীরে লুকিয়ে ছিল এক প্রযুক্তিগত ও আইনগত সত্য, যা অনেক সমর্থকের চোখেই এড়িয়ে গিয়েছিল।
৯২ মিনিটের সেই রহস্যময় মুহূর্ত
ম্যাচের ঘড়িতে তখন ৯২ মিনিট। আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে, এমন সময় বল পায়ে ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন সালাহ। মুহূর্তের মধ্যেই তাকে ঘিরে ধরেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হুলিয়ান আলভারেজ। সালাহ পড়ে গেলে মিশরের সমর্থকরা পেনাল্টির দাবি তোলেন। কিন্তু কেন রেফারির বাঁশি বাজেনি? কেন ভিএআর (VAR) চেক করেও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হলো?
আইনের চশমায় ঘটনার বিশ্লেষণ
ফিফার স্বীকৃত ফুটবল আইন অনুযায়ী, কোনো ফাউলের বিচার করার সময় 'বল পজেশন' বা বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে বড় নিয়ামক। ভিডিও ফুটেজের চুলচেরা বিশ্লেষণে দুটি বড় তথ্য বেরিয়ে এসেছে:
১. বলের ওপর প্রথম অধিকার: রিপ্লেতে দেখা যায়, সালাহ বলে পৌঁছানোর আগেই হুলিয়ান আলভারেজ দারুণ দক্ষতায় বলে পা ছুঁইয়েছিলেন। ফুটবলীয় সংজ্ঞায়, যদি কোনো ডিফেন্ডার বলকে আগে স্পর্শ করেন এবং সফলভাবে ট্যাকল সম্পন্ন করেন, তবে সেটি বৈধ।
২. 'নাটমেগ' ও সালাহর ভুল: আলভারেজের স্পর্শে বলটি সালাহর পায়ের নিচ দিয়ে (নাটমেগ) বেরিয়ে যায়। বল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সালাহ যখন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন, তখন তিনি আলভারেজের গোড়ালির সামনে পা রাখেন। সহজ কথায়, আলভারেজের পায়ে সালাহর পা লেগে গিয়েছিল, ঠিক উল্টোটা নয়।
কেন পেনাল্টি পেল না মিশর?
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ডিফেন্ডার যদি আগে বল ক্লিয়ার করেন, তবে সেই চ্যালেঞ্জের সময় খেলোয়াড়দের মধ্যে স্বাভাবিক সংঘর্ষকে 'ফাউল' হিসেবে ধরা হয় না। ভিএআর কর্মকর্তারা খুঁটিয়ে দেখে নিশ্চিত হন যে, আলভারেজের ট্যাকলটি সম্পূর্ণ 'ক্লিন' ছিল। সালাহ বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর পেনাল্টি আদায়ের জন্য নিজের শরীরকে কিছুটা অতিরঞ্জিতভাবে মাটিতে এলিয়ে দেন, যা রেফারির দৃষ্টিতে ‘ডাইভ’ হিসেবে গণ্য হয়েছে।
ফুটবল মানেই উত্তেজনার পারদ, আর বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব হলে তো কথাই নেই! আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার সেই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে। ৩-২ গোলের সেই মহাকাব্যিক জয়ের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে মিশরের সুপারস্টার মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া পেনাল্টি বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছিল। তবে উত্তপ্ত সেই মুহূর্তটির গভীরে লুকিয়ে ছিল এক প্রযুক্তিগত ও আইনগত সত্য, যা অনেক সমর্থকের চোখেই এড়িয়ে গিয়েছিল।
৯২ মিনিটের সেই রহস্যময় মুহূর্ত
ম্যাচের ঘড়িতে তখন ৯২ মিনিট। আর্জেন্টিনা ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে, এমন সময় বল পায়ে ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন সালাহ। মুহূর্তের মধ্যেই তাকে ঘিরে ধরেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হুলিয়ান আলভারেজ। সালাহ পড়ে গেলে মিশরের সমর্থকরা পেনাল্টির দাবি তোলেন। কিন্তু কেন রেফারির বাঁশি বাজেনি? কেন ভিএআর (VAR) চেক করেও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হলো?
আইনের চশমায় ঘটনার বিশ্লেষণ
ফিফার স্বীকৃত ফুটবল আইন অনুযায়ী, কোনো ফাউলের বিচার করার সময় 'বল পজেশন' বা বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে বড় নিয়ামক। ভিডিও ফুটেজের চুলচেরা বিশ্লেষণে দুটি বড় তথ্য বেরিয়ে এসেছে:
Share This
About author: Bds-24 news
Cress arugula peanut tigernut wattle seed kombu parsnip. Lotus root mung bean arugula tigernut horseradish endive yarrow gourd. Radicchio cress avocado garlic quandong collard greens.
